চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ), ৩১ জুলা ই: হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে হঠাৎ করেই বেড়েছে সবজিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। সরবরাহ সংকটের অজুহাতে কাঁচাবাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। বাজারভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা দরে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, চিনি, ভোজ্যতেল, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বাইরে থেকে সবজিবাহী ট্রাক সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাজারে দাম বেড়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকার সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনও কমে গেছে।
তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, সরবরাহ সংকটকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন। তাদের মতে, বর্ষা মৌসুম এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার যে পুরোনো প্রবণতা রয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিছু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ক্রেতারা জানান, শুধু কাঁচাবাজার নয়, মুদি পণ্য, পোশাক, মুরগি ও গোশত প্রায় সব ধরনের পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী। গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম নতুন করে বেড়েছে, আর কিছু পণ্যের দাম আগেই বাড়ানো হয়েছিল। ফলে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের পরিবারগুলো।
উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ৮০–১০০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা, টমেটো ১০০–১২০ টাকা, শসা ১২০ টাকা, ক্ষিরা ৭০–৮০ টাকা, পুঁইশাক ৪০–৫০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঢেঁড়স (ভেন্ডি) ১০০–১২০ টাকা, মূলা ১০০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৩৫০–৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০–৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৪০–৫০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৭০–১০০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০–৫০ টাকা, বরবটি ১০০–১২০ টাকা এবং জালি কুমড়া ৬০–৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।
শুক্রবার (৩১ জুলাই) উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে চাল, চিনি, ভোজ্যতেল, ডালসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি ব্রয়লার মুরগির দামও বেড়েছে। হঠাৎ মূল্যবৃদ্ধিতে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ।
ব্যবসায়ীদের দাবি, বৈরী আবহাওয়ার কারণে উপজেলার বাইরে থেকে সবজিবাহী ট্রাক সময়মতো পৌঁছাতে পারছে না। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাজারে দাম বেড়েছে। এছাড়া টানা বৃষ্টিতে বিভিন্ন এলাকার সবজি ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় উৎপাদনও কমে গেছে।
তবে ভোক্তাদের অভিযোগ, সরবরাহ সংকটকে পুঁজি করে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত দাম আদায় করছেন। তাদের মতে, বর্ষা মৌসুম এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ার যে পুরোনো প্রবণতা রয়েছে, এবারও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। কিছু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।
ক্রেতারা জানান, শুধু কাঁচাবাজার নয়, মুদি পণ্য, পোশাক, মুরগি ও গোশত প্রায় সব ধরনের পণ্যের দামই ঊর্ধ্বমুখী। গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কয়েকটি পণ্যের দাম নতুন করে বেড়েছে, আর কিছু পণ্যের দাম আগেই বাড়ানো হয়েছিল। ফলে সংসারের ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সীমিত আয়ের পরিবারগুলো।
উপজেলার বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, লম্বা বেগুন প্রতি কেজি ৮০–১০০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা, টমেটো ১০০–১২০ টাকা, শসা ১২০ টাকা, ক্ষিরা ৭০–৮০ টাকা, পুঁইশাক ৪০–৫০ টাকা, করলা ১০০ টাকা, ঢেঁড়স (ভেন্ডি) ১০০–১২০ টাকা, মূলা ১০০ টাকা এবং কাঁচামরিচ ৩৫০–৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৫০–৬০ টাকা, লেবু প্রতি হালি ৪০–৫০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৭০–১০০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৬০ টাকা, পেঁপে প্রতি কেজি ৪০–৫০ টাকা, বরবটি ১০০–১২০ টাকা এবং জালি কুমড়া ৬০–৭০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে।