সিলেট, ১ আগস্ট : বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী বলেছেন, শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার পবিত্র দিনে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অত্যন্ত প্রশংসনীয়। বৃক্ষ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, মানবজাতির টিকে থাকার জন্যও অপরিহার্য। ধর্মীয় উৎসবকে ঘিরে এ ধরনের জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পরিবেশ সচেতনতার অনন্য দৃষ্টান্ত।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি নাগরিকের এগিয়ে আসা উচিত। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ এবং গাছের পরিচর্যায় ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যুগের পর যুগ সম্প্রীতির বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে সিলেট মহানগরের প্রাণকেন্দ্রে আয়োজিত বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ-যুব (ডবলিউএফবি-ওয়াই) ও বিশ্ব বৌদ্ধ সংহতি (ডবলিউএবি)-এর আঞ্চলিক কেন্দ্র বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের জাতীয় কমিটি ও সিলেট অঞ্চল কমিটির যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে ‘সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা’ সংগঠন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন’ স্কুল ও সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ সিলেট অঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উৎফল বড়ুয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপতি বড়ুয়া, সদস্য শেলু বড়ুয়া, সীমান্ত বড়ুয়া জয়, সেতু বড়ুয়া মুক্তা এবং ‘সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তারেক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল ইসলাম সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আহমদ শাহান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম খান বাপ্পি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আরমান খান রাব্বি, সুপার উইমেন্স টিমের সহ-সভাপতি আকলিমা বেগম এবং প্রচার সম্পাদক তানজিনা আক্তারসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ আহমেদ ও সাংবাদিক আমীর হোসেন সোহাগ। এ সময় বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ‘স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন’ স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁরা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি পরিণত গাছ শুধু অক্সিজেন সরবরাহ করে না, বরং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আয়োজকরা বলেন, “আজকে করছি বৃক্ষরোপণ, নিত্য করবো তাদের যতন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুধু গাছ লাগানো নয়, প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে প্রধান অতিথি স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন স্কুল পরিদর্শন করেন।
তিনি বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রতিটি নাগরিকের এগিয়ে আসা উচিত। সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ এবং গাছের পরিচর্যায় ভূমিকা রাখতে হবে। বাংলাদেশে সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ যুগের পর যুগ সম্প্রীতির বন্ধনে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। এই সম্প্রীতির বন্ধন অটুট রেখে একটি সবুজ, সুন্দর ও বাসযোগ্য ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে। শুক্রবার (৩১ জুলাই) শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমা-২০২৬ উপলক্ষে সিলেট মহানগরের প্রাণকেন্দ্রে আয়োজিত বার্ষিক বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিশ্ব বৌদ্ধ সৌভ্রাতৃত্ব সংঘ-যুব (ডবলিউএফবি-ওয়াই) ও বিশ্ব বৌদ্ধ সংহতি (ডবলিউএবি)-এর আঞ্চলিক কেন্দ্র বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের জাতীয় কমিটি ও সিলেট অঞ্চল কমিটির যৌথ উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সার্বিক সহযোগিতা করে ‘সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা’ সংগঠন। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় ‘স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন’ স্কুল ও সিলেট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির শুভ উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদ সিলেট অঞ্চলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি উৎফল বড়ুয়া। এ সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি তপতি বড়ুয়া, সদস্য শেলু বড়ুয়া, সীমান্ত বড়ুয়া জয়, সেতু বড়ুয়া মুক্তা এবং ‘সিলেট রক্তের অনুসন্ধানে আমরা’ সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা তারেক আহমদ, সাধারণ সম্পাদক মুবিনুল ইসলাম সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহজাহান আহমদ শাহান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আকরাম খান বাপ্পি, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আহমেদ, সহ-প্রচার সম্পাদক আরমান খান রাব্বি, সুপার উইমেন্স টিমের সহ-সভাপতি আকলিমা বেগম এবং প্রচার সম্পাদক তানজিনা আক্তারসহ অনেকে।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন মহানগর হাসপাতালের পরিচালক মাসুদ আহমেদ ও সাংবাদিক আমীর হোসেন সোহাগ। এ সময় বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও পরিবেশবাদী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং ‘স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন’ স্কুলের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা বলেন, শুভ আষাঢ়ী পূর্ণিমার ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি প্রকৃতি সংরক্ষণ ও পরিবেশ রক্ষার সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে বাংলাদেশ বৌদ্ধ যুব পরিষদের এ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আয়োজন প্রশংসার দাবি রাখে। তাঁরা আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, বন উজাড় ও পরিবেশ দূষণের বর্তমান সংকট মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি পরিণত গাছ শুধু অক্সিজেন সরবরাহ করে না, বরং কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, মাটির ক্ষয়রোধ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
আয়োজকরা বলেন, “আজকে করছি বৃক্ষরোপণ, নিত্য করবো তাদের যতন”—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শুধু গাছ লাগানো নয়, প্রতিটি চারার নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই এ কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে প্রধান অতিথি স্বপ্নের বিদ্যানিকেতন স্কুল পরিদর্শন করেন।