নিউইয়র্ক, ২ আগস্ট : সিলেটের কৃতী সন্তান, বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত আমেরিকান নাগরিক মির্জা মোহিনী রশিদ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের (এনওয়াইপিডি) একজন উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করছেন।
মির্জা মোহিনী রশিদ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইকড়ছই মির্জা পরিবারের সন্তান। তিনি নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রথম নির্বাচিত বাংলাদেশি-আমেরিকান জুডিশিয়াল ডেলিগেট মির্জা মামুন রশিদের কন্যা।
বর্তমানে মির্জা মোহিনী রশিদ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ম্যানহাটন নর্থ নারকোটিক্স বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন। মাদক-সম্পর্কিত অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এর আগে তিনি এনওয়াইপিডির ৩৪তম প্রিসিন্টে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে টহল কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি প্রশংসা অর্জন করেন।
মির্জা মোহিনী রশিদ বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের একজন সক্রিয় সদস্য। তার পেশাগত সাফল্যে মির্জা পরিবার গর্বিত ও আনন্দিত। পরিবার জানিয়েছে, তারা সবসময় তার উত্তরোত্তর সাফল্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই নারী কর্মকর্তার সাফল্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে।
মির্জা মোহিনী রশিদ সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ইকড়ছই মির্জা পরিবারের সন্তান। তিনি নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব এবং নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের প্রথম নির্বাচিত বাংলাদেশি-আমেরিকান জুডিশিয়াল ডেলিগেট মির্জা মামুন রশিদের কন্যা।
বর্তমানে মির্জা মোহিনী রশিদ নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ম্যানহাটন নর্থ নারকোটিক্স বিভাগে দায়িত্ব পালন করছেন। মাদক-সম্পর্কিত অপরাধ দমন, জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন।
এর আগে তিনি এনওয়াইপিডির ৩৪তম প্রিসিন্টে দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। সেখানে টহল কার্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে তুলে তিনি প্রশংসা অর্জন করেন।
মির্জা মোহিনী রশিদ বাংলাদেশি-আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের একজন সক্রিয় সদস্য। তার পেশাগত সাফল্যে মির্জা পরিবার গর্বিত ও আনন্দিত। পরিবার জানিয়েছে, তারা সবসময় তার উত্তরোত্তর সাফল্য, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এই নারী কর্মকর্তার সাফল্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্যও গর্ব ও অনুপ্রেরণার বিষয় হয়ে উঠেছে।