সাউথ জার্সি, ৮ আগস্ট: ধর্মীয় আবহ, গীতি-নৃত্য ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনার মধ্য দিয়ে সাউথ জার্সিতে আগামী ১৫ আগস্ট, শনিবার অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বর্ণাঢ্য কৃষ্ণলীলা। এগ হারবার টাউনশিপের ৫৭১ সাউথ পোমোনা রোডে অবস্থিত হিন্দু জৈন বৈকুণ্ঠ মন্দিরের মিলনায়তনে রাত ৮টায় শুরু হবে এ বিশেষ আয়োজন।
কৃষ্ণলীলা ঘিরে ইতোমধ্যে সাউথ জার্সির সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সী দর্শকের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠবে মন্দির প্রাঙ্গণ। অনুষ্ঠানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম, শৈশবের বিভিন্ন লীলা এবং তাঁর ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার নানা দিক গীতি, নৃত্য ও নাট্যরূপে তুলে ধরা হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শকদের জন্য ২০ ও ৫০ ডলারের বিভিন্ন প্রবেশমূল্যের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানের আগে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত নৈশভোজের আয়োজন থাকবে।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৃষ্ণলীলা হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পার্থিব জীবনের ঐশ্বরিক কর্মকাণ্ড ও লীলার শৈল্পিক উপস্থাপন। এর মাধ্যমে প্রেম, মানবতা, ন্যায় ও ধর্মের পাশাপাশি অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির বিজয়ের বার্তা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে শ্রীকৃষ্ণের জীবন, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করতেও এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা বলেন, প্রবাসের মাটিতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত করার ক্ষেত্রে কৃষ্ণলীলার মতো আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়োজকদের আশা, সাউথ জার্সির বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পরিবার-পরিজনসহ সবাইকে উপস্থিত হয়ে কৃষ্ণলীলার এ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
কৃষ্ণলীলা ঘিরে ইতোমধ্যে সাউথ জার্সির সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। আয়োজকদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক তাৎপর্যপূর্ণ এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সী দর্শকের উপস্থিতিতে মুখর হয়ে উঠবে মন্দির প্রাঙ্গণ। অনুষ্ঠানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্ম, শৈশবের বিভিন্ন লীলা এবং তাঁর ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার নানা দিক গীতি, নৃত্য ও নাট্যরূপে তুলে ধরা হবে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দর্শকদের জন্য ২০ ও ৫০ ডলারের বিভিন্ন প্রবেশমূল্যের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া অনুষ্ঠানের আগে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৭টা পর্যন্ত নৈশভোজের আয়োজন থাকবে।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৃষ্ণলীলা হলো ভগবান শ্রীকৃষ্ণের পার্থিব জীবনের ঐশ্বরিক কর্মকাণ্ড ও লীলার শৈল্পিক উপস্থাপন। এর মাধ্যমে প্রেম, মানবতা, ন্যায় ও ধর্মের পাশাপাশি অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে শুভশক্তির বিজয়ের বার্তা তুলে ধরা হয়।
আয়োজকরা জানান, প্রবাসে বেড়ে ওঠা নতুন প্রজন্মের কাছে শ্রীকৃষ্ণের জীবন, আদর্শ ও মানবিক মূল্যবোধ তুলে ধরাই এ আয়োজনের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। একই সঙ্গে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সঙ্গে নতুন প্রজন্মের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করতেও এমন আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আয়োজকরা বলেন, প্রবাসের মাটিতে ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে এ ধরনের আয়োজনের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে শিশু-কিশোর ও তরুণ প্রজন্মকে নিজেদের শিকড়, সংস্কৃতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধের সঙ্গে পরিচিত করার ক্ষেত্রে কৃষ্ণলীলার মতো আয়োজন কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
আয়োজকদের আশা, সাউথ জার্সির বিভিন্ন শহর থেকে বিপুলসংখ্যক সনাতন ধর্মাবলম্বী এ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। পরিবার-পরিজনসহ সবাইকে উপস্থিত হয়ে কৃষ্ণলীলার এ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক আয়োজন উপভোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।