হবিগঞ্জ, ৯ আগস্ট : চলে গেলেন হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের উজ্জ্বল নক্ষত্র, প্রবীণ আইনজীবী ও মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চক্রবর্তী। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা রোগে ভোগার পর আজ বিকেলে সিলেটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরলোকগমন করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮৫ বছর।
সুব্রত চক্রবর্তী ছিলেন একাধারে আইনজীবী, নাট্যশিল্পী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও ক্রীড়া সংগঠক। হবিগঞ্জের নাট্যচর্চার শুরুর দিকের অন্যতম পুরোধা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার গম্ভীর কণ্ঠ, সাবলীল উপস্থাপনা ও নাট্যপ্রতিভা তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছিল।
হবিগঞ্জের নাট্যাঙ্গনের গোড়াপত্তনের সময় যেসব সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ নাট্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিলেন, সুব্রত চক্রবর্তী ছিলেন তাদের অন্যতম। মঞ্চনাটকের পাশাপাশি তিনি উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও অনেককে অনুপ্রাণিত ও গড়ে তুলেছেন। তার হাত ধরে অনেক তরুণ নাট্যকর্মী ও উপস্থাপক নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেয়েছেন।
সিলেট বেতারের সঙ্গেও তার ছিল নিবিড় সম্পৃক্ততা। নাট্যশিল্পী হিসেবে সেখানে তিনি কাজ করেছেন এবং নিজের অভিনয় ও কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্যে শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
শুধু নাট্যাঙ্গনেই নয়, হবিগঞ্জের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও তার ছিল সরব উপস্থিতি। মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার কারণে তিনি ছিলেন সর্বজনশ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তিত্ব।
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ছিল গভীর। পাশাপাশি ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তিনি হবিগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে ভূমিকা রেখেছেন।
একজন মানুষ, অথচ পরিচয়ের পরিধি ছিল বহুমাত্রিক। আইন পেশা থেকে নাট্যমঞ্চ, বেতার থেকে ক্রীড়াঙ্গন, সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে সাংস্কৃতিক আন্দোলন সবখানেই ছিল তার বিচরণ। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে নিজেকে এমনভাবে জড়িয়ে নিয়েছিলেন যে তার অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে একটি শূন্যতা তৈরি করবে।
সুব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যুতে হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার চলে যাওয়া শুধু একজন প্রবীণ আইনজীবীর বিদায় নয়; এটি হবিগঞ্জের নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি সমৃদ্ধ অধ্যায়ের অবসান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সুপ্রভাত মিশিগানের পক্ষ থেকে শোকাহত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা।
সুব্রত চক্রবর্তী ছিলেন একাধারে আইনজীবী, নাট্যশিল্পী, সাংস্কৃতিক সংগঠক ও ক্রীড়া সংগঠক। হবিগঞ্জের নাট্যচর্চার শুরুর দিকের অন্যতম পুরোধা হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার গম্ভীর কণ্ঠ, সাবলীল উপস্থাপনা ও নাট্যপ্রতিভা তাকে আলাদা পরিচিতি এনে দিয়েছিল।
হবিগঞ্জের নাট্যাঙ্গনের গোড়াপত্তনের সময় যেসব সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষ নাট্যচর্চাকে এগিয়ে নিতে ভূমিকা রেখেছিলেন, সুব্রত চক্রবর্তী ছিলেন তাদের অন্যতম। মঞ্চনাটকের পাশাপাশি তিনি উপস্থাপনার ক্ষেত্রেও অনেককে অনুপ্রাণিত ও গড়ে তুলেছেন। তার হাত ধরে অনেক তরুণ নাট্যকর্মী ও উপস্থাপক নিজেদের প্রতিভা বিকাশের সুযোগ পেয়েছেন।
সিলেট বেতারের সঙ্গেও তার ছিল নিবিড় সম্পৃক্ততা। নাট্যশিল্পী হিসেবে সেখানে তিনি কাজ করেছেন এবং নিজের অভিনয় ও কণ্ঠের স্বাতন্ত্র্যে শ্রোতাদের কাছে পরিচিতি লাভ করেন।
শুধু নাট্যাঙ্গনেই নয়, হবিগঞ্জের সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও তার ছিল সরব উপস্থিতি। মানুষের সঙ্গে সহজে মিশে যাওয়া, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার কারণে তিনি ছিলেন সর্বজনশ্রদ্ধেয় একজন ব্যক্তিত্ব।
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেশের প্রতি তার দায়বদ্ধতা ছিল গভীর। পাশাপাশি ক্রীড়া সংগঠক হিসেবেও তিনি হবিগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে ভূমিকা রেখেছেন।
একজন মানুষ, অথচ পরিচয়ের পরিধি ছিল বহুমাত্রিক। আইন পেশা থেকে নাট্যমঞ্চ, বেতার থেকে ক্রীড়াঙ্গন, সামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে সাংস্কৃতিক আন্দোলন সবখানেই ছিল তার বিচরণ। দীর্ঘ কর্মময় জীবনে তিনি হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সঙ্গে নিজেকে এমনভাবে জড়িয়ে নিয়েছিলেন যে তার অনুপস্থিতি নিঃসন্দেহে একটি শূন্যতা তৈরি করবে।
সুব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যুতে হবিগঞ্জের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার চলে যাওয়া শুধু একজন প্রবীণ আইনজীবীর বিদায় নয়; এটি হবিগঞ্জের নাট্য ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি সমৃদ্ধ অধ্যায়ের অবসান।
মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী, সাংস্কৃতিক কর্মী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। তার মৃত্যুতে সুপ্রভাত মিশিগানের পক্ষ থেকে শোকাহত পরিবার, স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা।