খুলনা, ১২ আগস্ট : রূপসা উপজেলার শ্রীরামপুরে ফখরুল শেখ (৩২) নামে এক যুবদল কর্মীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার দিবাগতরাত রাত ১২টা ৫৫ মিনিটে রূপসা ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত ফখরুল উপজেলার নৈহাটি গ্রামের মমিন উদ্দিনের ছেলে এবং যুবদল নেতা ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই।
স্থানীয়রা জানান, ফখরুলের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করেন। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে ফখরুল ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান। এর আগে বিকেলে ভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তৈয়ব রাতে দায়িত্বে অনুপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তাঁর ঘাড়ে একটি এবং ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় আরেকটি গুলি লাগে।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
নিহতের ভাই ফরহাদ জানান, তাঁর ভাই রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ইটভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরও দেখাশোনা করতেন। ঘটনার রাতে মেয়ের ওষুধ কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়ে ভাটায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ফখরুল।
ফরহাদ বলেন, রাত ১টা ১১ মিনিটে ফখরুলের এক বন্ধু ফোন করে তাঁকে দ্রুত ভাটায় যেতে বলেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি অফিসের পাশে ফখরুলকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সুরতহালে ফখরুলের শরীরে দুটি গুলির আঘাত পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ফখরুলের ভাই ফরহাদ ও শরিফুল রূপসা ব্রিকস ইটভাটা পরিচালনা করেন। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে ফখরুল ইটভাটা ও মাছের ঘের দেখাশোনার জন্য সেখানে যান। এর আগে বিকেলে ভাটার নাইট গার্ড তৈয়বের সঙ্গে তাঁর বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে তৈয়ব রাতে দায়িত্বে অনুপস্থিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান।
রাত ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে ভাটার অফিস কক্ষের পাশে একদল অস্ত্রধারী ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তাঁর ঘাড়ে একটি এবং ডান চোয়ালের নিচ দিয়ে মাথায় আরেকটি গুলি লাগে।
গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা তাঁকে উদ্ধার করে রূপসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশ সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য বুধবার সকালে মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফরহাদ বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। তবে প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।
নিহতের ভাই ফরহাদ জানান, তাঁর ভাই রূপসা কলেজের সাবেক ছাত্রনেতা এবং বর্তমানে যুবদলের কর্মী হিসেবে রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি ইটভাটার ক্যানেল ও মাছের ঘেরও দেখাশোনা করতেন। ঘটনার রাতে মেয়ের ওষুধ কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়ে ভাটায় যাওয়ার কথা জানিয়েছিলেন ফখরুল।
ফরহাদ বলেন, রাত ১টা ১১ মিনিটে ফখরুলের এক বন্ধু ফোন করে তাঁকে দ্রুত ভাটায় যেতে বলেন। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি অফিসের পাশে ফখরুলকে নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক মীর জানান, খবর পেয়ে রাতেই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। সুরতহালে ফখরুলের শরীরে দুটি গুলির আঘাত পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।