সিলেট, ১৪ আগস্ট : সিলেট নগরীর রায়নগরে সিলেট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক আব্দুস সাত্তার, তাঁর স্ত্রী ও গৃহকর্মীকে হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। মিতালী আবাসিক এলাকা সমাজকল্যাণ সমিতি ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সমিতির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আব্দুস সাত্তার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর পরিবারের ওপর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
তিনি বলেন, এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তিনি আরও বলেন, “এখন এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানাই।”
সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমিও এলাকাবাসীর মতো এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাই। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের আওতার বাইরে না থাকে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশে গুরুতর অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুতবিচার আদালতে মামলা পরিচালনার নজির রয়েছে। “আমরা চাই, এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুতবিচার আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হোক এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক,” বলেন তিনি।
ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ধন্যবাদ জানান সিসিক প্রশাসক। তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত সব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ এবং জড়িতদের দ্রুত বিচার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) দুপুরে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে আয়োজিত মানববন্ধনে অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি জানান। মিতালী আবাসিক এলাকা সমাজকল্যাণ সমিতি ও ১৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর উদ্যোগে আয়োজিত এ মানববন্ধনে সমিতির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
মানববন্ধনে সিসিক প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী বলেন, “আব্দুস সাত্তার একজন স্বনামধন্য ব্যবসায়ী ও সামাজিকভাবে পরিচিত ব্যক্তি ছিলেন। তাঁর পরিবারের ওপর এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ড অত্যন্ত মর্মান্তিক। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
তিনি বলেন, এ ঘটনায় নগরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। তবে ঘটনার অল্প সময়ের মধ্যেই পুলিশ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। তিনি আরও বলেন, “এখন এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখার আহ্বান জানাই।”
সিসিক প্রশাসক বলেন, “সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক হিসেবে আমিও এলাকাবাসীর মতো এই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার চাই। এই ঘটনার সঙ্গে আর কেউ জড়িত আছে কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করতে হবে। প্রকৃত অপরাধীরা যেন কোনোভাবেই আইনের আওতার বাইরে না থাকে, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, দেশে গুরুতর অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুতবিচার আদালতে মামলা পরিচালনার নজির রয়েছে। “আমরা চাই, এই হত্যাকাণ্ডের বিচারও দ্রুতবিচার আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হোক এবং দোষীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা হোক,” বলেন তিনি।
ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যে একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করায় সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট সদস্যদের ধন্যবাদ জানান সিসিক প্রশাসক। তিনি দ্রুত তদন্ত শেষ করে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত সব অপরাধীকে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।