হবিগঞ্জ, ২০ আগস্ট : হবিগঞ্জের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মাটির নিচে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ছয়টি পিস্তল, সাতটি ম্যাগাজিন ও ২২ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ৫৫ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও ঘন জঙ্গলে বিশেষ কৌশলে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে বিজিবির ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুষ্কৃতকারীরা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল। তবে অস্ত্রগুলোর প্রকৃত মালিকানা ও এগুলো কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ভবিষ্যতে অভিযান ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।
বিজিবি আরও জানায়, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ এবং ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সাতছড়ি বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন ৫৫ বিজিবির ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা ও ঘন জঙ্গলে বিশেষ কৌশলে মাটির নিচে পুঁতে রাখা অবস্থায় অস্ত্র ও গোলাবারুদগুলো উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিকভাবে বিজিবির ধারণা, ডাকাতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে দুষ্কৃতকারীরা এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ সেখানে লুকিয়ে রেখেছিল। তবে অস্ত্রগুলোর প্রকৃত মালিকানা ও এগুলো কী উদ্দেশ্যে সেখানে মজুত করা হয়েছিল, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
উদ্ধার করা অস্ত্র ও গোলাবারুদ আইনানুগ প্রক্রিয়ায় থানায় জমা দেওয়ার কার্যক্রম চলছে। একই সঙ্গে এসব অস্ত্রের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
৫৫ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. তানজিলুর রহমান বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব ও সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অবৈধ অস্ত্র ও গোলাবারুদের বিস্তার রোধ এবং সীমান্ত এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বিজিবি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে ভবিষ্যতে অভিযান ও তৎপরতা আরও জোরদার করা হবে।
বিজিবি আরও জানায়, গত তিন মাসে সাতছড়ি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুর্গম সীমান্ত এলাকায় ৫৫ বিজিবির পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে প্রায় ৪১ লাখ টাকা মূল্যের ২৩৮ কেজি ভারতীয় গাঁজা, ২ হাজার ৫৮৫ পিস ইয়াবা, ৫৯ বোতল মদ এবং ২১টি গরু আটক করা হয়েছে।
সীমান্ত এলাকায় অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে বিজিবির অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।