ফ্রেজার, ২৫ আগস্ট : সপ্তাহান্তে শহরে ঘটে যাওয়া প্রাণঘাতী ‘হিট-এন্ড-রান’ দুর্ঘটনার চালককে শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে ‘ফ্লক’ (Flock) ক্যামেরার সহায়তা নিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৩ আগস্ট বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে ‘ফ্রেঞ্চ ক্রিক’-এর কাছে ইউটিকা রোডে দক্ষিণমুখী এক মোটরসাইকেল আরোহীকে একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। খবর পেয়ে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গুরুতর আহত ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর সন্দেহভাজন গাড়িটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে ‘ফ্লক’ ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দ্রুত গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে হেফাজতে নেয়।
দুর্ঘটনার তদন্তে মিশিগান স্টেট পুলিশ ও রোজভিল পুলিশ বিভাগ সহায়তা করছে।
ম্যাকম্ব কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এখনো সন্দেহভাজন চালক ও নিহত নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনা সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে বা কেউ প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে থাকলে জননিরাপত্তা বিভাগের (৫৮৬) ২৯৩-২০০০ নম্বরে, এক্সটেনশন ২২২-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।
ফ্লক নিয়ে বিতর্ক ও এর ব্যবহার
মিশিগানসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘ফ্লক’ ক্যামেরা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সমালোচকেরা পুলিশের নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণে এসব ক্যামেরার অতিরিক্ত ব্যবহারের কঠোর সমালোচনা করছেন। ওকল্যান্ড কাউন্টিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘ফ্লক’ ক্যামেরা চুরি বা ভাঙচুরের অন্তত আটটি ঘটনার তদন্ত করেছে।
‘ফ্লক টেকনোলজি’ লাইসেন্স প্লেট রিডার বা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি সরবরাহকারী অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। মিশিগানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পুলিশ বিভাগের সঙ্গে কোম্পানিটির চুক্তি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্বয়ংক্রিয় লাইসেন্স প্লেট রিডার (ALPR) ক্যামেরার সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী হিসেবেও পরিচিত ‘ফ্লক’। অপরাধ তদন্তে সহায়তার জন্য এসব ক্যামেরা যানবাহনের পেছনের অংশ ও লাইসেন্স প্লেটের ছবি ধারণ করে।
বাসিন্দাদের উত্থাপিত উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে—ব্যবহারকারীদের ডেটার মালিকানা ও তা বিক্রির শর্তাবলি থেকে কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু বিধান বাদ দেওয়া এবং কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পুলিশের ওই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ALPR ব্যবহার করে ব্যক্তিকে অনুসরণ বা ‘স্টকিং’ করার অভিযোগও উঠেছে।
বাসিন্দা ও কর্মকর্তাদের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে গত এক বছরে মেট্রো ডেট্রয়েটের অন্তত পাঁচটি এলাকা—এর মধ্যে ক্লসন, ফার্নডেল ও মিলফোর্ড রয়েছে—‘ফ্লক’-এর সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করেছে। তবে যেসব পুলিশ বিভাগ এখনো কোম্পানিটির প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, তারা অপরাধ তদন্তে সহায়তা এবং তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুততর করার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com
পুলিশ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২৩ আগস্ট বিকেল ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে ‘ফ্রেঞ্চ ক্রিক’-এর কাছে ইউটিকা রোডে দক্ষিণমুখী এক মোটরসাইকেল আরোহীকে একটি গাড়ি ধাক্কা দেয়। খবর পেয়ে জরুরি সেবাকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। গুরুতর আহত ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়।
পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনার পর সন্দেহভাজন গাড়িটি ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। তবে ‘ফ্লক’ ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ দ্রুত গাড়ি ও চালককে শনাক্ত করতে সক্ষম হয় এবং অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁকে হেফাজতে নেয়।
দুর্ঘটনার তদন্তে মিশিগান স্টেট পুলিশ ও রোজভিল পুলিশ বিভাগ সহায়তা করছে।
ম্যাকম্ব কাউন্টি প্রসিকিউটরের কার্যালয়ের মাধ্যমে সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এখনো সন্দেহভাজন চালক ও নিহত নারীর নাম প্রকাশ করা হয়নি।
তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। দুর্ঘটনা সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা থাকলে বা কেউ প্রত্যক্ষদর্শী হয়ে থাকলে জননিরাপত্তা বিভাগের (৫৮৬) ২৯৩-২০০০ নম্বরে, এক্সটেনশন ২২২-এ যোগাযোগ করার অনুরোধ জানিয়েছে পুলিশ।
ফ্লক নিয়ে বিতর্ক ও এর ব্যবহার
মিশিগানসহ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে ‘ফ্লক’ ক্যামেরা নিয়ে তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। গোপনীয়তা নিয়ে উদ্বিগ্ন সমালোচকেরা পুলিশের নজরদারি ব্যবস্থা সম্প্রসারণে এসব ক্যামেরার অতিরিক্ত ব্যবহারের কঠোর সমালোচনা করছেন। ওকল্যান্ড কাউন্টিতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ‘ফ্লক’ ক্যামেরা চুরি বা ভাঙচুরের অন্তত আটটি ঘটনার তদন্ত করেছে।
‘ফ্লক টেকনোলজি’ লাইসেন্স প্লেট রিডার বা শনাক্তকরণ প্রযুক্তি সরবরাহকারী অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান। মিশিগানের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পুলিশ বিভাগের সঙ্গে কোম্পানিটির চুক্তি রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে স্বয়ংক্রিয় লাইসেন্স প্লেট রিডার (ALPR) ক্যামেরার সবচেয়ে বড় সরবরাহকারী হিসেবেও পরিচিত ‘ফ্লক’। অপরাধ তদন্তে সহায়তার জন্য এসব ক্যামেরা যানবাহনের পেছনের অংশ ও লাইসেন্স প্লেটের ছবি ধারণ করে।
বাসিন্দাদের উত্থাপিত উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে—ব্যবহারকারীদের ডেটার মালিকানা ও তা বিক্রির শর্তাবলি থেকে কোম্পানির নির্দিষ্ট কিছু বিধান বাদ দেওয়া এবং কোনো যৌক্তিক কারণ ছাড়াই পুলিশের ওই ডেটা ব্যবহারের সুযোগ পাওয়া। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ALPR ব্যবহার করে ব্যক্তিকে অনুসরণ বা ‘স্টকিং’ করার অভিযোগও উঠেছে।
বাসিন্দা ও কর্মকর্তাদের গোপনীয়তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের পরিপ্রেক্ষিতে গত এক বছরে মেট্রো ডেট্রয়েটের অন্তত পাঁচটি এলাকা—এর মধ্যে ক্লসন, ফার্নডেল ও মিলফোর্ড রয়েছে—‘ফ্লক’-এর সঙ্গে তাদের চুক্তি বাতিল করেছে। তবে যেসব পুলিশ বিভাগ এখনো কোম্পানিটির প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, তারা অপরাধ তদন্তে সহায়তা এবং তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুততর করার ক্ষেত্রে এর কার্যকারিতার কথা তুলে ধরেছে।
Source & Photo: http://detroitnews.com