রংপুর, ২৫ আগস্ট: রংপুরের আলোচিত চার হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল হয়েছে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আব্দুল মাবুদকে বদলি করে নতুন কমিশনার হিসেবে পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) ডিআইজি মাহবুবুর রশিদকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি তৌসিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ১২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আব্দুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। ২৬ এপ্রিল তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। ২০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুল মাবুদ এর আগে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নতুন কমিশনার মাহবুবুর রশিদ এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়ায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরদিন রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মাবুদ দাবি করেন, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। তবে তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক দেখা দেয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা পুলিশের বক্তব্যকে ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তাঁরা।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ কমিশনারের বদলি ও তদন্তভার হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে চার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে নতুন করে তদন্তের পথ তৈরি হয়েছে। স্বজন ও স্থানীয়রা এখনো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ বদলির আদেশ দেওয়া হয়। মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি সেক্রেটারি তৌসিফ আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
এর আগে গত ১২ আগস্ট স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে আব্দুল মাবুদকে রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে পদায়ন করা হয়েছিল। ২৬ এপ্রিল তিনি রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হিসেবে যোগ দেন। ২০তম বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের কর্মকর্তা আব্দুল মাবুদ এর আগে ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। নতুন কমিশনার মাহবুবুর রশিদ এর আগে পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাতে নগরীর মাছুয়াপাড়ায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী (৬৫), তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী (৫০), মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী (২৩) ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর (১২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
পরদিন রোববার (২৩ আগস্ট) দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আব্দুল মাবুদ দাবি করেন, বাড়ির ছাদে ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। তবে তাঁর এই বক্তব্য নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক দেখা দেয়। শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা পুলিশের বক্তব্যকে ‘সাজানো নাটক’ আখ্যা দিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেন। একই সঙ্গে তিন দিনের আলটিমেটাম দিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেপ্তারের দাবি জানান তাঁরা।
এ ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস (১৯) ও মুগ্ধ দাস (২৩) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁরা আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার মামলাটির তদন্তভার কোতোয়ালি থানা থেকে গোয়েন্দা পুলিশে (ডিবি) হস্তান্তর করা হয়।
পুলিশ কমিশনারের বদলি ও তদন্তভার হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে চার হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনে নতুন করে তদন্তের পথ তৈরি হয়েছে। স্বজন ও স্থানীয়রা এখনো নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছেন।