মামলার চাপে হ্যামট্রাম্যাক: সামনে  বহু-মিলিয়ন ডলারের আর্থিক ঝুঁকি

আপলোড সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন , আপডেট সময় : ৩০-০৮-২০২৬ ০৩:২৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
বাম থেকে, হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিলের সদস্য নাঈম চৌধুরী, মেয়র প্রো-টেম মোহাম্মদ হাসান, কাউন্সিল সদস্য ইউসুফ সাঈদ, মেয়র অ্যাডাম আলহারবি, কাউন্সিল সদস্য মোহাম্মদ আলসোমিরি, কাউন্সিল সদস্য আবু আহমেদ মুসা এবং কাউন্সিল সদস্য মুহতাসিন সাদমান—মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট  তারিখে হ্যামট্রামকে অনুষ্ঠিত সিটি কাউন্সিলের এক সভায় জনগণের মতামত শুনছেন/Katy Kildee, The Detroit News

হ্যামট্রাম্যাক, ৩০ আগস্ট : নির্বাচনের পরদিন সিটি হলে পাওয়া ৩৭টি ‘অ্যাবসেন্টি ব্যালট’ যাতে গণনা করা না হয়, সে বিষয়ে আইনি লড়াইয়ে মেয়র অ্যাডাম আলহারবির ব্যয় করা আইনি ফি শহরের তহবিল থেকে পরিশোধের অনুমোদন দিয়েছে হ্যামট্রাম্যাক সিটি কাউন্সিল। তবে ওই আইনি লড়াইয়ে মেয়র শেষ পর্যন্ত হেরে গেছেন বলেই মনে হচ্ছে।
আলহারবির কয়েক হাজার ডলারের আইনি ব্যয় হয়তো তুলনামূলকভাবে সামান্য। কারণ, গত এক বছরে বরখাস্ত হওয়া শহরের কয়েকজন কর্মকর্তা সিটি কর্তৃপক্ষ ও নির্বাচিত নেতাদের বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা করেছেন। এসব মামলা এবং আদালতের রায়ের ফলে সংকটাপন্ন এই শহরকে শেষ পর্যন্ত কয়েক মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ বা সমঝোতার জন্য ব্যয় করতে হতে পারে।
বাদীদের মধ্যে রয়েছেন একজন সাবেক সিটি ক্লার্ক, একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা এবং দুজন সাবেক সিটি ম্যানেজার। তাঁরা জাতিগত বৈষম্য, অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুতি ও প্রতিহিংসামূলক আচরণের অভিযোগ এনে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
প্রায় ২৭ হাজার ২০০ বাসিন্দার এই শহরের বার্ষিক পরিচালন বাজেট যেখানে প্রায় ৩২ মিলিয়ন ডলার, সেখানে মামলাগুলোতে দাবিকৃত বিপুল অঙ্কের ক্ষতিপূরণ শহরের অর্থনীতির ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করতে পারে। সাবেক সিটি ক্লার্ক ও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা—দুজনই ৫ মিলিয়ন ডলার করে ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন।
ফৌজদারি মামলার আইনজীবী টড ফ্লাড—যিনি হ্যামট্রাম্যাকের বর্তমান বা সাবেক কোনো কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চলমান মামলার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন—বলেন, ‘বিষয়টি যদি জুরির কাছে যায়, তাহলে আমার মনে হয় ৫ মিলিয়ন ডলারের ক্ষতিপূরণে পৌঁছানো বাস্তবসম্মত হতে পারে।’
মামলার সঙ্গে জড়িত ও বাইরের আইনজীবীদের মতে, শহরের বিরুদ্ধে কোনো সমঝোতা বা আদালতের রায় হলে এর আর্থিক দায় মূলত, কিংবা পুরোপুরি, বীমার মাধ্যমে মেটানো সম্ভব হতে পারে। তবে একের পর এক অভিযোগ এবং এসব মামলার পেছনে ব্যয় হওয়া সময় ও শ্রম ইঙ্গিত করছে, মেয়রের প্রশাসন ও সম্পূর্ণ মুসলিম-সদস্যবিশিষ্ট সিটি কাউন্সিল শহরের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় হিমশিম খাচ্ছে। এমনটাই মন্তব্য করেছেন একজন বিশেষজ্ঞ।
ফ্লাড বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে, দুর্ভাগ্যবশত হ্যামট্রাম্যাক পরিচালনার জন্য শহরটিতে একটি শক্তিশালী প্রশাসন নেই। এর ফলেই এমন বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’
তবে মেয়র অ্যাডাম আলহারবি জানিয়েছেন, শহর কর্তৃপক্ষ এখন তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে। দ্রুত সমঝোতায় গিয়ে অন্য পক্ষকে সুবিধা দেওয়ার পরিবর্তে তারা এখন আইনি লড়াই করে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরার পথ বেছে নিচ্ছে।
আলহারবি বলেন, ‘আমরা নিশ্চিত করতে চাই, নিজেদের পক্ষে যথাযথভাবে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে পারি।’
Source & Photo: http://detroitnews.com
 

সম্পাদকীয় :

চিনু মৃধা : সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি

সম্পাদক ও প্রকাশক : চিন্ময় আচার্য্য, নির্বাহী সম্পাদক : কামাল মোস্তফা, সহযোগী সম্পাদক : আশিক রহমান,

বার্তা সম্পাদক : তোফায়েল রেজা সোহেল, ফিচার এডিটর : সৈয়দ আসাদুজ্জামান সোহান, স্টাফ রিপোর্টার : মৃদুল কান্তি সরকার।

অফিস :

22021 Memphis Ave Warren, MI 48091

Phone : +1 (313) 312-7006

Email : [email protected]

Website : www.suprobhatmichigan.com